জাপানের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত রোমাঞ্চকর জয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। এই ম্যাচ দিয়ে জার্মানির একটি রেকর্ডও স্পর্শ করেছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে পিছিয়ে থেকে ১৬তমবারের মত জয় নিয়ে মাঠ ছেড়ে জার্মানির রেকর্ড স্পর্শ করেছে ব্রাজিল। জার্মানিও বিশ্বকাপের মঞ্চে ১৬বার পিছিয়ে থেকে জয়ের স্বাদ পেয়েছে।
এনিয়ে টানা ১১ বার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিল ব্রাজিল। ১৯৮৬ সালে এই রাউন্ডটি পুনরায় চালু হবার পর থেকে প্রতিটি টুর্নামেন্টেই শেষ ষোলোতে খেলেছে সেলেসাওরা।
ম্যাচের ৯৫তম মিনিটে জাপানের বিপক্ষে জয়সূচক গোলটি করেন মার্তিনেলি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে নক আউট পর্বে যেকোন দলের এটি সবচেয়ে দেরিতে করা ম্যাচজয়ী গোল।
.
জাপানের বিপক্ষে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল ব্রাজিল। তারপরও জয়ের হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। তাই দীর্ঘ ৮৮ বছর পর প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও বিশ্বকাপের নক আউট ম্যাচে জয়ের স্বাদ পেয়েছে ব্রাজিল। সর্বশেষ ১৯৩৮ সালে চেকোস্লোভাকিয়ার প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল তারা। ১৯৩৮ সালের পর এমন পরিস্থিতিতে ৪টি ম্যাচ হেরেছে ব্রাজিল।
চলতি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের চারটি গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন ব্রুনো গিমারেস। বিশ্বকাপের এক আসরে ব্রাজিলের হয়ে এর চেয়ে বেশি অ্যাসিস্টের রেকর্ড রয়েছে কেবল পেলের। ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপে ৬টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন পেলে।
.
জাপানের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার পর মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরোর গোলে ম্যাচে সমতা ফেরায় ব্রাজিল। ৩৪ বছর ১২৬ দিনে গোল করে রেকর্ড বইয়ে নাম তুলেছেন তিনি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ব্রাজিলের হয়ে গোল করা দ্বিতীয় বয়োজ্যেষ্ঠ খেলোয়াড় তিনি। তবে এক্ষেত্রে রেকর্ডটি বেবেতোর। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে ৩৪ বছর ১৩৭ দিন বয়সে গোল করেছিলেন বেবেতো।
জাপানের বিপক্ষে ম্যাচে ২১০টি সফল পাস দিয়েছে ব্রাজিল। বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগে ব্রাজিলের সর্বোচ্চ পাসের রেকর্ড এটি।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে পিছিয়ে থেকে ১৬তমবারের মত জয় নিয়ে মাঠ ছেড়ে জার্মানির রেকর্ড স্পর্শ করেছে ব্রাজিল। জার্মানিও বিশ্বকাপের মঞ্চে ১৬বার পিছিয়ে থেকে জয়ের স্বাদ পেয়েছে।
এনিয়ে টানা ১১ বার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিল ব্রাজিল। ১৯৮৬ সালে এই রাউন্ডটি পুনরায় চালু হবার পর থেকে প্রতিটি টুর্নামেন্টেই শেষ ষোলোতে খেলেছে সেলেসাওরা।
ম্যাচের ৯৫তম মিনিটে জাপানের বিপক্ষে জয়সূচক গোলটি করেন মার্তিনেলি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে নক আউট পর্বে যেকোন দলের এটি সবচেয়ে দেরিতে করা ম্যাচজয়ী গোল।
.
জাপানের বিপক্ষে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল ব্রাজিল। তারপরও জয়ের হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। তাই দীর্ঘ ৮৮ বছর পর প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও বিশ্বকাপের নক আউট ম্যাচে জয়ের স্বাদ পেয়েছে ব্রাজিল। সর্বশেষ ১৯৩৮ সালে চেকোস্লোভাকিয়ার প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল তারা। ১৯৩৮ সালের পর এমন পরিস্থিতিতে ৪টি ম্যাচ হেরেছে ব্রাজিল।
চলতি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের চারটি গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন ব্রুনো গিমারেস। বিশ্বকাপের এক আসরে ব্রাজিলের হয়ে এর চেয়ে বেশি অ্যাসিস্টের রেকর্ড রয়েছে কেবল পেলের। ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপে ৬টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন পেলে।
.
জাপানের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার পর মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরোর গোলে ম্যাচে সমতা ফেরায় ব্রাজিল। ৩৪ বছর ১২৬ দিনে গোল করে রেকর্ড বইয়ে নাম তুলেছেন তিনি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ব্রাজিলের হয়ে গোল করা দ্বিতীয় বয়োজ্যেষ্ঠ খেলোয়াড় তিনি। তবে এক্ষেত্রে রেকর্ডটি বেবেতোর। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে ৩৪ বছর ১৩৭ দিন বয়সে গোল করেছিলেন বেবেতো।
জাপানের বিপক্ষে ম্যাচে ২১০টি সফল পাস দিয়েছে ব্রাজিল। বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগে ব্রাজিলের সর্বোচ্চ পাসের রেকর্ড এটি।
মিজানুর রহমান টনি